”In 1911, a deadly epidemic spread through China and threatened to become a pandemic. Its origins appeared to be related to the trade in wild animals, but at the time no one was sure.”
-CNN,by Paul French
১৯১০-১১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়াতে একটি প্লেগ রোগ মহামারি আকার ধারণ করেছিলো। সেই সময় চিকিৎসা বিজ্ঞান এখনকার মতো এতোটা আধুনিক ছিলো না। তাই কোন ভেকসিন আবিষ্কার হয়নি। এই প্লেগ রোগে তখন প্রায় ৬৩০০০ মানুষ মারা গিয়েছিল।
ধারণা করা হয় Tarbagan Marmot (টারবাগান মারমোট) নামের ইদুর/বিড়াল জাতীয় একটি প্রাণী থেকে এই প্লেগ মহামারি মানুষের মধ্যে ছড়ায়। তখন মাঞ্চুরিয়া সহ আশেপাশের অঞ্চল গুলোতে এই মারমোট স্বীকার করা হতো ব্যাপকভাবে।
“It is now matter of common knowledge that the tarabagan
(Arctomys bobac), a hibernating marmot of the size of a large cat,
found in Mongolia, in North-west Manchuria and in Transbaikalian
Siberia, is susceptible to plague infection, and that plague epizootics
occur not infrequently amongst these animals.”

-By REGINALD FARRAR, M.ড
ক্যামব্রিজে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার Wu Lien-teh, তিনি এই মহামারি দুর করার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেছিলেন। তিনি তখন কোয়ারেন্টাইন ও কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করার প্রচলন করেছিলেন। কি ভাবছেন? এখনকার মতো তখনো এগুলোর প্রচলন ছিলো কি? আলবৎ ছিলো।
ডাক্তার Wu Lien- teh ১৯১১ সালের এপ্রিলে Mukden এ The International Plague Conference এর আয়োজন করেন। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের অনেক ভাইরোলজিস্ট, ব্যাকটিরিওলজিস্টস, মহামারী বিশেষজ্ঞ এবং রোগ বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
চীন সরকার বিদেশী ডাক্তারদেরও সমর্থন চেয়েছিল, যাদের বেশিরভাগই এই রোগের ফলে মারা গিয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে তেঁতেসিনের ইম্পেরিয়াল মেডিকেল কলেজের ফরাসী জেরাল্ড মেসনি, যিনি মাস্কের ব্যবহারটা প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেন, কিছু দিন পরে কোনও মাস্ক না পরে রোগীদের সাথে দেখা করতে গিয়ে প্লেগে আক্রান্ত হন নিজেই। পরে তিনি মারা যান। আর একজন ছিলেন ২৬ বছর বয়সী আর্থার এফ জ্যাকসন, যিনি ইউনাইটেড ফ্রি চার্চ অফ স্কটল্যান্ডের মিশনারি ডাক্তার, যিনি কয়েকশ দরিদ্র শ্রমিককে পরিদর্শন ও সরিয়ে নেয়ার আট দিনের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, দুদিন পরে তিনি মুকডেনে মারা যান।
Yale University Press থেকে The Great Manchurian Plague of 1910-1911 নামে ২১৬ পৃষ্ঠার একটি বই প্রকাশিত হয়। যার লেখক ছিলেন William C. Summers.
বর্তমানে ২০২০ সালে এসে সারাবিশ্ব করোনা মহামারিতে আক্রান্ত। করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে আমরা সবাই কাজ করছি একযোগে। আমাদের এই প্রচেষ্টা সফল যেন হয়। আঁধার কেটে যাক,কিরণদীপ্ত রবির উদয় হউক।

ALSO READ  Father : The Pillar of Strength - Utso Das Shuvro : 1st Place Winner

◾ভিডিওঃ দুর্লভ এই ভিডিও চিত্রটি নেয়া হয়েছে Huntley Film Archives থেকে।

What’s your Reaction?
+1
+1
8
+1
+1
+1
21
+1
+1
Author

Executive & Lecturer,The Scholars' College, Dhaka.BSS, MSS (Sociology), Jagannath University.Ex-Reporter, The Daily Jugantor.Teaching, Travelling, Writing, Social activities.

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x